spot_img

২০২৬ সালের শবে বরাত, রমজান, শবে কদর ও ঈদ কবে?

অবশ্যই পরুন

ইসলামে ইবাদত-বন্দেগি ও হালাল উপার্জন—উভয়ই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কোরআন ও হাদিসে মানুষের পার্থিব জীবন ও আখিরাতের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালেও শবে বরাত, রমজান, শবে কদর ও ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বিধান আগের নিয়মেই পালন করতে হবে।

পবিত্র কোরআনে নামাজ শেষে জীবিকা অন্বেষণের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, নামাজ শেষ হলে তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর। (সুরা জুমআ: ১০)

ইসলামে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, বছরে এক মাস রমজানে রোজা, সামর্থ্যবানদের জন্য হজ এবং জাকাত ফরজ করা হয়েছে। পাশাপাশি শবে কদর, শবে বরাত ও আশুরার দিনের মতো বিশেষ সময়ে নফল ইবাদতের ফজিলতও বর্ণিত হয়েছে।

আনন্দ উদযাপনের ক্ষেত্রেও ইসলাম নির্দিষ্ট সীমারেখা দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) জাহেলিয়াতের উৎসবের পরিবর্তে মুসলমানদের জন্য ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা নির্ধারণ করেন (আবু দাউদ: ১১৩৪)।

২০২৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি দিবসগুলোর সম্ভাব্য তারিখ

চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০২৬ সালে বিভিন্ন ধর্মীয় দিবসের সম্ভাব্য তারিখগুলো হলো—

  • শব-ই-মেরাজ: ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার দিবাগত রাত)
  • শব-ই-বরাত: ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার)
  • রমজান শুরু: ১৮ ফেব্রুয়ারি (সম্ভাব্য)
  • রমজান শেষ: ১৮ মার্চ (সম্ভাব্য)
  • জুমাতুল বিদা: ১৩ মার্চ (শুক্রবার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
  • শব-ই-কদর: ১৫ মার্চ (রোববার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
  • ঈদুল ফিতর: ১৯ অথবা ২০ মার্চ (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
  • ঈদুল আজহা: ১৬ মে (শনিবার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
  • হজ: ১৪ মে থেকে শুরু হতে পারে (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
  • আশুরা: ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার)
  • ঈদে মিলাদুন্নবী: ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার)

ইসলামি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতিটি মাসের শুরু চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এসব তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে। এখানে সরকারি ক্যালেন্ডার ও সম্ভাব্য হিসাবের ভিত্তিতে দিনগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

সিলেট টাইটান্সকে ৬ উইকেটে হারাল রংপুর রাইডার্স

বিপিএলের সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোর স্কোরকার্ড বিবেচনায় সিলেট টাইটান্সের করা ১৪৪ রানের পুঁজিটা একেবারে মামুলী বলা যাবে না। বোলিংয়েও তারা জয়ের...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ