আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা রাজ্যে মুসলমান জনসংখ্যা বুদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শনিবার প্রকাশিত ইন্ডিয়া টুডে এনইতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তার উদ্বেগের বিষয়টি প্রকাশ পায়। তিনি আশঙ্কা করে বলেছেন, পরবর্তী আদমশুমারির তথ্য প্রকাশের আগ পর্যন্ত আসামে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিম জনসংখ্যার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৪০ শতাংশে পৌঁছতে পারে।
তিনি বলেন, ২০১১ সালের আদমশুমারিতে আসামে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৩৪ শতাংশ। তার দাবি, আদিবাসী অহমীয় মুসলমান তিন শতাংশ বাদে, বাকি ৩১ শতাংশ মুসলমান বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২১ সালে কোনো আদমশুমারি করা হয়নি। ২০২৭ সালে যখন আদমশুমারির প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তখন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত
মুসলমান জনসংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ হবে।
তার এ মন্তব্য আসামে অভিবাসন, পরিচয় এবং নাগরিকত্ব নিয়ে চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ককে সামনে এনেছে, বিশেষ করে ‘বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের’ পুরোনো বিতর্কের প্রেক্ষাপটে। রাজ্যে জনসংখ্যার ধারা পরিবর্তন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে এবং এর সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর এই পূর্বাভাস রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। অনেকে এ ধরনের মন্তব্য সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা উসকে দিতে পারে।

