spot_img

রামপুরার সেই ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনই গ্রেপ্তার

অবশ্যই পরুন

রাজধানীর রামপুরায় যৌন হয়রানি ঘটনার আলোচিত প্রধান অভিযুক্ত সোয়েব রহমান জিশানসহ (২৫) তিনজনকে ঢাকার বিভিন্ন স্থান হতে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৩। আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সনদ বড়ুয়া।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল ২ এপ্রিল রাতে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় যৌন হয়রানি সংক্রান্ত একটি ঘটনা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হলে তা ব্যাপকভাবে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি করে। বিষয়টি র‍্যাব-৩ এর নজরে আসলে তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্ব সহকারে র‍্যাব-৩ ছায়াতদন্ত শুরু হয়। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগরীর রামপুরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় উল্লেখিত এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে র‍্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা শাখা ও র‍্যাব-৩ এর একাধিক গোয়েন্দা ও অপারেশনাল টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে।

আরও জানানো হয়, গোয়েন্দা সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ওই মামলার প্রধান অভিযুক্ত সোয়েব রহমান জিশানকে (২৫) গভীর রাতে রাজধানীর রামপুরা থানাধীন মেরাদিয়া এলাকা হতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর রমনার বেইলি রোড এলাকা থেকে মো. রাইসুল ইসলাম এবং শ্যামপুরের গেন্ডারিয়া থেকে মো. কাউসার হোসেনকে (২১) সকালে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিদের রামপুরা থানায় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এর আগে, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিক গতকাল রাতেই রামপুরা থানায় মামলা দায়ের করেন। ভুক্তভোগী ওই নারী সাংবাদিক ঘটনার বিবরণে বলেন, রাত সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে আমি এবং আমার ছোটভাই বনশ্রী ই-ব্লকের তিন নম্বর রোডের মুখে একটি জুসের দোকানে ছিলাম। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় যুবক আমাকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে। আমার ভাই প্রতিবাদ করলে তারা প্রথমে তাকে মারধর করে। আমি বাধা দিতে গেলে তারা আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করে।

তিনি আরও বলেন, আমরা নিজেদের বাসার সামনেই নিরাপদ নই। ছেলেগুলো এমনভাবে আচরণ করছিল যেন তারা যা করছে, সেটাই তাদের অধিকার। আমার ভাই যখন প্রতিবাদ করল, তখন তারা আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এমনকি তারা আমাকে হেনস্তা করার পরও অকপটে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা রেপ করেছি, কী করবে?’

এ ঘটনায় ওই নারী সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, আমার নিজের বাসার সামনেই নিরাপদ নই! আমাকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় আমার ভাইকে মারধর করা হলো, আমাকেও লাঞ্ছিত করা হলো।

তিনি আরও লেখেন, আমার চুল টেনে ধরে আমাকে হ্যাচকা টান দেওয়া হলো, বুকে আঘাত করা হলো, লাথি মারা হলো। চারপাশের সবাই দাঁড়িয়ে দেখছিল, কেউ কিছু বলেনি। একজন সাংবাদিক হয়েও যদি আমি এ রকম হামলার শিকার হই, তাহলে সাধারণ নারীদের নিরাপত্তার কী অবস্থা?

সর্বশেষ সংবাদ

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাজ্য

২০৩১ নারী ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র। টুর্নামেন্টটি হতে এখনও ৬ বছর বাকি। এর মাঝেই ২০৩৫ সালে আয়োজক নির্ধারণ...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ