spot_img

ভারতের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু বাংলাদেশের

অবশ্যই পরুন

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির এ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে শুভমান গিলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে হেসেখেলে জয় তুলে নিয়েছে ভারত। বাংলাদেশের দেয়া টার্গেট ৬ উইকেট ও ২১ বল বাকি থাকতেই টপকে যায় ভারত।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে টপ অর্ডারদের ব্যর্থতায় তাওহিদ হৃদয় ও জাকের আলির ১৫৪ রানের পার্টনারশিপে ভারতের সামনে ২২৯ রানের লক্ষ্য দাঁড় করাতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। তাওহিদ হৃদয় ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এদিন। জবাবে ভারত রোহিত শর্মার ৪১, লোকেশ রাহুলের অপরাজিত ৪১ ও শুভমান গিলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় ভারত।

বাংলাদেশের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ভারতের ওপেনার রোহিত শর্মা শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে খেললেও পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। শুভমান গিলের সঙ্গে গড়া তার জুটি পাওয়ার প্লেতে ওভারপ্রতি প্রায় ৭ রান করে তুলছিল। শেষ পর্যন্ত, বিপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা তাসকিনই থামিয়েছেন রোহিতকে। তার শিকার হয়ে ফিরে যাওয়ার ফলে কিছুটা স্বস্তি পায় বাংলাদেশ শিবির।

এরপর দ্বিতীয় উইকেটে অভিজ্ঞ কোহলিকে নিয়ে ৪৩ রানের জুটি গড়েন শুভমান গিল। দলীয় ১১২ রানে কোহলিকে সৌম্যর ক্যাচ বানিয়ে ফেরান রিশাদ। তৃতীয় উইকেটে ১৩ রানের জুটি গড়ার পর ফিরে যান শ্রেয়াস আইয়ার। চতুর্থ উইকেটে ১১ রানের জুটি গড়ে ফেরেন প্যাটেল। পঞ্চম উইকেটে আর কোনো বিপদ না বাড়িয়ে ৮৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন শুভমান গিল ও লোকেশ রাহুল। গিল ১২৯ বলে ২ ছক্কা ও ৯ চারে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন। এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। লোকেশ রাহুল অপরাজিত থাকেন ৪৭ বলে ২ ছক্কা ও ১ চারে ৪১ রান করে।

বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ ২টি, তাসকিন ও মুস্তাফিজ একটি করে উইকেট লাভ করেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই মোহাম্মদ শামির বলে শূন্য রানে ফেরেন সৌম্য সরকার। পরের ওভারেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও আউট হন ডাক মেরে। হারষিত রানার বলে কভার অঞ্চলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তানজিদ তামিম ও মেহেদি হাসান মিরাজ কিছুটা সামলানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। মাত্র ৫ রান করে শামির শিকারে পরিণত হন মিরাজ। এরপর তামিমও ২৫ বলে ২৫ রান করে অক্ষর প্যাটেলের বলে উইকেটরক্ষক লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।

অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে প্রত্যাশা থাকলেও তিনি গোল্ডেন ডাক মেরে হতাশ করেন। প্রথম বলেই ডিফেন্স করতে গিয়ে রাহুলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এক ওভারে দুই ব্যাটার ফেরান অক্ষর, তবে একই ধরনের বলে রোহিত শর্মার হাতে সহজ ক্যাচ ফেলায় অল্পের জন্য হ্যাটট্রিক মিস করেন ভারতীয় স্পিনার।

পাঁচ উইকেট হারানোর পর ষষ্ঠ উইকেটের ধ্বংসস্তুপ থেকে দলকে টেনে তুলতে লড়াই শুরু করেন তাওহিদ হৃদয় ও জাকের আলি। শুরুতে ধীরগতির হলেও পরে তারা শট খেলা শুরু করেন। দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে দলীয় ১৮৯ রানে বিদায় নেন জাকের আলি। তার আগে তার উইলো থেকে বেরিয়ে আসে ১১৪ বলে ৪ ছক্কায় ৬৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

পাঁচ উইকেট হারানোর পর ষষ্ঠ উইকেটের ধ্বংসস্তুপ থেকে দলকে টেনে তুলতে লড়াই শুরু করেন তাওহিদ হৃদয় ও জাকের আলি। শুরুতে ধীরগতির হলেও পরে তারা শট খেলা শুরু করেন। দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে দলীয় ১৮৯ রানে বিদায় নেন জাকের আলি। তার আগে তার উইলো থেকে বেরিয়ে আসে ১১৪ বলে ৪ ছক্কায় ৬৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

জাকের বিদায়ের পর আবারও মোড়ক লাগে বাংলাদেশের ইনিংসে। সপ্তম উইকেটে রিশাদকে সঙ্গে নিয়ে ৩৫ রানের কার্যকরী জুটি গড়েন হৃদয়। রিশাদ ১২ বলে ২ ছক্কা ও ১ চারে ১৮ রান করে হার্শিত রানার শিকারে পরিণত হন। এক রান পর ফিরে যান তানজিম সাকিব। এটি ছিল ম্যাচে সামির চতুর্থ উইকেট। এরপর দলীয় ২২৮ রানে তাসকিনকে ফিরেয়ে ম্যাচে পঞ্চম উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সামি। একই রানে শেষ উইকেট হিসেবে হার্শিত রানার তৃতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তাওহিদ হৃদয়। তার আগে অবশ্য হৃদয় ১১৮ বলে ২ ছক্কা ও ৬ চারে ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন। এটি ছিল তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি।

ভারতের হয়ে মোহাম্মদ সামি ৫টি, হার্শিত রানা ৩টি ও অক্ষর প্যাটেল ২টি উইকেট নেন।

সর্বশেষ সংবাদ

রোনালদোর জোড়া গোলে আল হিলালকে হারালো আল নাসর

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জোড়া গোলের ম্যাচে সৌদি লিগে প্রতিদ্বন্দ্বী আল হিলালকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে আল নাসর। এদিকে বুন্দেসলিগায় জয় পেয়েছে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ