spot_img

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতাকে গণহত্যা বলতে নারাজ যুক্তরাষ্ট্র

অবশ্যই পরুন

গাজায় ইসরায়েলের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ বলতে না রাজ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সোমবার হোয়াইট হাউসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা বলে আমরা বিশ্বাস করি না। এটাকে গণহত্যা বলার প্রস্তাবকে আমরা প্রত্যাখ্যান করি। ’

গাজায় শিশুসহ ফিলস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতন সত্ত্বেও বাইডেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার এমন পদক্ষেপকে ইসরায়েলের জন্য ঢাল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে গাজা যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন অবস্থানের বিষয়ে এক সাংবাদিক একাধিকবার জিজ্ঞাসা করলেও সুলিভান ইসরায়েলের আগ্রাসনকে হত্যা হিসেবে আখ্যা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ইসরায়েলের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নিয়ে দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চলছে। এর প্রতি সংহতি জানাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরাও। তারা যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের জন্য সাহায্য ও সহায়তা সরবরাহ থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

যদিও আমেরিকার পশ্চিমা মিত্রসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ গণহত্যার ডাকে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। তবুও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইসরায়েলি সরকারকে সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।

এদিকে চলমান ফিলিস্তিনপন্থী ছাত্র বিক্ষোভের জোয়ার ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের বলপ্রয়োগ বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে। ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিষয়ে মার্কিন অবস্থান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের সূত্রপাত ঘটেছে।

সুলিভানের এই প্রতিক্রিয়া আবারও বাইডেন প্রশাসনের মানবাধিকারকে সর্বজনীন করার দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আমেরিকার শিক্ষার্থীরাও ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন নীতিকে দ্বিচারিতা হিসেবে মনে করছেন। কারণ তারা গাজার গণহত্যার বিষয়টিকে দেখেও না দেখার ভান করছে।

সর্বশেষ সংবাদ

দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যে দেশভিত্তিক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেবে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের লক্ষ্যে দেশ ভিত্তিক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ