spot_img

হাশরের ময়দানে কেন পশু-পাখিদের একত্রিত করা হবে?

অবশ্যই পরুন

পৃথিবীর জীবন শেষ হলে শুরু হবে পরকালের জীবন। পৃথিবীর জীবনের পাপ-পুণ্যের হিসাব চুকিয়ে প্রবেশ করতে হবে পরকালীন জীবনের জগতে। হাশরের মাঠে প্রত্যেকের আমল অনুপাতে প্রতিদান দেয়া হবে। মানুষ ও জিন জাতির মতো অন্যান্য জীবজন্তুকেও সেখানে একত্র করা হবে।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর যত প্রকার প্রাণী পৃথিবীতে বিচরণশীল রয়েছে এবং যত প্রকার পাখি দুই ডানাযোগে উড়ে বেড়ায় তারা সবাই তোমাদের মতোই একেকটি শ্রেণি। আমি কোনো কিছু লিখতে ছাড়িনি। অতঃপর সবাই স্বীয় প্রতিপালকের কাছে সমবেত হবে।’ (সুরা আনআম: ৩৮)।

মহান আল্লাহর জন্য কোনো কিছুই কঠিন নয়। সবই তার জন্য সমান সহজ। মানুষকে যেমন তিনি একত্র করতে পারবেন, তেমনি পশু-পাখিদেরও পারবেন একত্র করতে। বিশিষ্ট তাবেয়ি হজরত কাতাদা (রহ.)-এর ভাষ্যমতে, সবকিছু একত্র করা হবে, এমনকি বিচারের জন্য মাছি পর্যন্ত একত্র করা হবে। কোরআনে এসেছে, ‘তার এক নিদর্শন নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীবজন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি যখন ইচ্ছা, এগুলোকে একত্র করতে সক্ষম।’ (সুরা শুরা: ২৯)।

এসব আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, কেয়ামতের দিন জীবজন্তুদেরও হাশর হবে। তাদেরও একত্র করা হবে। তবে মানুষ ও তাদের মধ্যকার পার্থক্য হলো, মানুষের মতো তাদের থেকে কুফরি-শিরক ও ঈমান-আমলের হিসাব নেয়া হবে না।

এ ছাড়া মানুষের জান্নাত-জাহান্নাম আছে, জীবজন্তুদের তা নেই। তবে দুনিয়ায় শক্তিশালী কোনো পশু অন্য কোনো দুর্বল পশুকে অন্যায়ভাবে আঘাত করে থাকলে হাশরের দিন দুর্বল পশুটিকে সুযোগ দেয়া হবে অপরটির কাছ থেকে সমান প্রতিশোধ নেয়ার জন্য।

এ কথা তো স্পষ্ট যে, জীবজন্তু শরিয়তের কোনো বিধান পালনে আদিষ্ট নয়; বিধান পালনে আদিষ্ট হলো মানুষ ও জিন জাতি। তা হলে জীবজন্তুদের শাস্তি হবে কেন? এজন্য কোনো আলেম জীবজন্তুদের ব্যাপারে বলেছেন, তাদের বিচারের জন্য হাশরের ময়দানে একত্র করা হবে না। তাদের বক্তব্য হলো, হাদিসে যেসব জীবজন্তু একে অপর থেকে বদলা গ্রহণ করবে তা বলা হয়েছে, এটা একটা দৃষ্টান্ত।

সর্বশেষ সংবাদ

বিচার এড়াতে নতুন কৌশল নেতানিয়াহুর

দুর্নীতির তিনটি মামলা চলছে ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে। তবে সমঝোতার মাধ্যমে বিচার থেকে বাঁচার কৌশল বের করেছেন...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ