spot_img

করোনা টিকায় মৃতু্যর আশঙ্কা কমে ৯৭%

অবশ্যই পরুন

করোনা টিকার দু’টি ডোজে মৃতু্যর সম্ভাবনা কমে ৯৭ দশমিক ৫ শতাংশ। আর একটি ডোজের ক্ষেত্রে এই হার ৯৬ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতু্যর সম্ভাবনা কমাতে করোনা টিকা গড়ে ৯৭ শতাংশেরও বেশি কার্যকর।

বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি। গত এপ্রিল মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত তথ্য-উপাত্তের উদ্ধৃতি দিয়ে টিকার কার্যকারিতার এই তথ্য সামনে এনেছে দেশটি। এদিকে, করোনার ফলে অন্ধত্বের প্রকোপও বাড়ছে কি না-জানতে এরই মধ্যে গবেষণা শুরু করেছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস)।

ভারত সরকার বলছে, ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতু্যর সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় করোনা টিকা। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত এপ্রিল-মে মাসে যারা মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগই টিকা না নেওয়া ব্যক্তি বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে।

ভারত সরকারের কোভিড টাস্কফোর্স দলের প্রধান ভি কে পাল বলছেন,

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ও নিরাপদে থাকতে টিকা নেওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলছেন, ‘এখন করোনার টিকা সহজলভ্য রয়েছে। তাই টিকা নিয়ে নিতে মানুষকে আমরা অনুরোধ করছি। প্রথম ডোজ নেওয়ার পরই মানুষ কেবল দ্বিতীয় ডোজ পাবেন। আমি ‘নিশ্চিত করছি’ যে- তাহলে (টিকা নিলে) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতু্য হবে না।’

দেশটির সরকার বলছে, করোনা টিকা নেওয়ার পরও অনেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন, তবে তাদের মধ্যে কোভিড সংক্রান্ত ‘মৃতু্যর সম্ভাবনা কম’। এছাড়া টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা করোনায় আক্রান্ত হলেও তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তির হারও অনেক কম।

অন্ধত্বের ঝুঁকি জানতে গবেষণা :এদিকে, করোনার ক্ষতি যে শুধু ফুসফুসে সীমাবদ্ধ নয় তা অনেক আগেই টের পেয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তবে সেটা কতটা বিস্তৃত ও জটিল হতে পারে তা নিয়ে সংশয় ছিল। এবার নতুন আরও একটি শঙ্কার কথা জানিয়েছেন ভারতের চিকিৎসকরা।

তারা বলছেন, করোনা মহামারির মধ্যে চোখে কনজাঙ্কটিভাইটিসের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। কিন্তু করোনার ফলে অন্ধত্বের প্রকোপও বাড়ছে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিষয়টি জানতে এরই মধ্যে গবেষণা শুরু করেছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস)। করোনায় মৃতদের চোখে ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে কি না তা দেখতে চোখের নানা অংশে পরীক্ষা করবেন সংস্থাটির বিজ্ঞানীরা।

ন্যাশনাল আই ব্যাংকের ৩৬তম চক্ষুদান পক্ষকালীন উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এইমসের আর পি সেন্টার ফর অপথ্যালমিক সায়েন্সের প্রধান ডক্টর জে এস টিটিয়াল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই পাঁচটি নেত্রগোলক সংগ্রহ করা হয়েছে। কোভিডের ফলে কর্নিয়া, অপটিক নার্ভ বা রেটিনায় কোনো প্রভাব পড়ে কি না তা খতিয়ে দেখতেই এই গবেষণা চালানো হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

কোনো সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না : হাছান মাহমুদ

কোনো সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না বলে আশ্বাস দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর)...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ