spot_img

২ মাস পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু

অবশ্যই পরুন

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই মাস পর ভারত থেকে আবারও পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। বুধবার (৯ জুন) ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করে ঢাকার আমদানিকারক জুবায়ের ইন্টারন্যাশনাল।

পেঁয়াজ উৎপাদন সংকট দেখিয়ে এবং দফায় দফায় মূল্য বাড়িয়ে এর আগে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। এতে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন আমদানিকারকরা। তাদের কয়েকশ কোটি টাকার এলসি খোলা থাকলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে কেনা পেঁয়াজ ওপারে আটকা পড়ায় আমদানি করতে পারেননি। আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকার মধ্যে। আর খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়।

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, বুধবার বিকেলে ভারত থেকে ২৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। পণ্য ছাড় করাতে ব্যবসায়ীদের আমদানি মূল্যের ওপর শতকরা ৫ ভাগ হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করতে আমদানিকারককে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সেজুতি এন্টারপ্রাইজ।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, পেঁয়াজ আমদানির খবরে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দর কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমেছে। গত তিন দিন আগে বাজারে পেঁয়াজের মূল্য ছিল কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। আমদানিকৃত পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে বাজার মূল্য আরও কমে আসবে।

তিনি আরো জানান, যখন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয় তখন সুবিধাবাদী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সদস্যদের কারসাজিতে পেঁয়াজের মূল্য বেড়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্য কিনতে মুশকিলে পড়ে যান। এক্ষেত্রে সরকার যদি দেশে আমদানিকারকদের তালিকা ও তারা কী পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি ও বিক্রি করছেন তা তদারকির প্রতি জোর দেয়, তাহলে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কিছুটা হলেও কমবে।

সর্বশেষ সংবাদ

মসজিদে নববীর সেই শতবর্সী কোরআনপ্রেমীর ইন্তেকাল

সুদূর ইমাম বোখারির দেশ থেকে তিনি এসেছিলেন সবুজ গম্বুজের টানে। প্রিয় নবীজির ভালোবাসায়, মসজিদে নববীর খেদমতে এবং রওজায়ে আতহারের...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ