শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ: হু

0
70

আজ ৩ মার্চ বিশ্ব শ্রবণ দিবস। বিশ্ব শ্রবণ দিবসকে সামনে রেখে গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ওয়েবসাইটে শ্রবণবিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ।

২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী, শ্রবণ সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া মানুষের সংখ্যা আগামী তিন দশকে বাড়তে পারে দেড় গুণেরও বেশি। ২০৫০ সাল নাগাদ এই সংখ্যা বেড়ে হতে পারে প্রায় ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন। অর্থাৎ ২০৫০ সাল নাগাদ কোনো না কোনো ধরনের শ্রবণ সমস্যা নিয়ে বসবাস করবে বিশ্বের প্রায় ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন মানুষ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে ২০৫০ সাল নাগাদ ২ দশমিক ৫ বিলিয়নের মধ্যে ৭০০ মিলিয়ন মানুষের অবস্থা এমন গুরুতর পর্যায়ে যেত পারে যে তাদের শ্রবণ সহায়ক যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার প্রয়োজন হতে পারে। শ্রবণ সমস্যার ব্যাপারে যথার্থ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে তা ভুক্তভোগীদের জন্য স্বাস্থ্যগত, ভালো থাকা, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হবে।

বর্তমানে বিশ্বে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। বলা হয়, শ্রবণ সমস্যা সৃষ্টির অনেক কারণ প্রতিরোধ সম্ভব।

প্রতিবেদনে শ্রবণক্ষমতা হ্রাস প্রতিরোধ ও সমস্যাটিকে গুরুত্ব দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। শ্রবণ সমস্যা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় অতিরিক্ত বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। প্রতিবেদনে একটি প্যাকেজ পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস বলেছেন, ডব্লিউএইচওর নতুন প্রতিবেদনটিতে শ্রবণ সমস্যার মাত্রা যেমন তুলে ধরা হয়েছে, তেমনি সমাধানও দেওয়া হয়েছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে বিশ্বের সব দেশকে তাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এই বিষয়কে একীভূত করতে উৎসাহিত করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here