টিকার দ্বিতীয় ডোজ ৭ এপ্রিল থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অবশ্যই পড়ুন

আইপিএলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান জাহানারা

গত বছরের ৪ থেকে ৯ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল মেয়েদের আইপিএল (ওম্যান্স টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জ)। যেখানে অংশ...

মাস্ক পরে মুখ ঘামার সমস্যা থেকে যেভাবে মুক্তি

এখন মাস্ক পরা প্রতিদিনের একটি সাধারণ কাজে পরিণত হয়েছে। আর এর কারণ হচ্ছে করোনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা। কিন্তু এই মাস্কের...

পর্তুগালে জরুরি অবস্থা ও লকডাউন বাড়ল ১৬ মার্চ পর্যন্ত

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে পর্তুগালে ঘোষিত জরুরি অবস্থা ও লকডাউন আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। চলতি বছরের...

সিরিয়ায় বিমান হামলা আমেরিকার সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসবাদের নতুন ধাপ : ইরান

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি বলেছেন, ইরাক ও সিরিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় তৎপর ইরাকি সংগঠন হাশদ আশ-শাবির...

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে চায় বিএনপি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উদ্যোগে দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অতিথি...

আগামী ৭ এপ্রিল থেকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ প্রদান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

এখন পর্যন্ত ২৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক। এছাড়া রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ৩৬ লাখের বেশি।

তিনি বলেন, দেশে ৪০ বছরের ঊর্ধ্বে ৪ কোটি মানুষ আছেন। ৩ কোটি ডোজ দেবে ভারতের সেরাম। এরইমধ্যে ২০ লাখ ডোজ উপহার দিয়েছে তারা। প্রয়োজনীয় ৮ কোটি ডোজ টিকা পেতে চেষ্টা করছে ভারত। আর যারা প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছেন তাদের ২য় ডোজ টিকা দেওয়া শুরু হবে এপ্রিলের ৭ তারিখ থেকে।

এ মাসে ৫০ লাখ ডোজ পাওয়ার কথা রয়েছে সেরামের থেকে তারা দিয়েছে ২০ লাখ। এজন্য বাকি ডোজ পেতে সেরাম ইনস্টিটিউটকে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মহামারির মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় পুনরায় খুলে দেওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, প্রথমে শিক্ষকদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তারপর শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। বর্তমানে দেশজুড়ে এক হাজার পাঁচটি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলছে। সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা- দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত টিকাদান চলছে, টিকাদান কার্যক্রমে কাজ করছে দুই হাজার ৪০০টি দল।

- Advertisement -
- Advertisement -

সর্বশেষ সংবাদ

আইপিএলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান জাহানারা

গত বছরের ৪ থেকে ৯ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল মেয়েদের আইপিএল (ওম্যান্স টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জ)। যেখানে অংশ...
- Advertisement -

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

- Advertisement -