পৃথিবীর ‘সবচেয়ে কম বয়সী’ সিরিয়াল কিলার

অবশ্যই পড়ুন

ঢাবির ১৬৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১২ শিক্ষার্থীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা...

মার্চে ঢাকায় আসছেন দক্ষিণ এশিয়ার ৩ রাষ্ট্রপ্রধান

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দক্ষিণ এশিয়ার ৩ রাষ্ট্রপ্রধান চলতি...

প্রথমবারের মতো আদালতে হাজির করা হলো সুচিকে

গত ১লা ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার সামরিক জান্তা কর্তৃক ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশটির বেসামরিক নেত্রী অং সান সুচিকে আজ সোমবার প্রথমবারের...

ইরানের সিদ্ধান্তে হতাশায় বাইডেন

পরমাণু সমঝোতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় বসার ইউরোপীয় প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হতাশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন...

১০ বছরে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

গত ১০ বছরে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের অর্থনৈতিকভাবে...

শিশুটির বয়স মাত্র ৮ বছর। নাম অমরজিৎ সাদা। অথচ এ বয়সেই সে খেতাব পেয়েছে সিরিয়াল কিলারের। বলতে গেলে ৩ খুনের আসামি সে। খুন করে সে দুঃখিত নয়, হেসেছিল প্রাণ খুলে।

খুনের তালিকায় আছে নিজের আপন বোন। রয়েছে আরো ২ জন শিশুও। বলা হচ্ছে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ সিরিয়াল কিলার এই অমরজিৎ। থাকেন ভারতের বিহারের মুশাহার গ্রামে।

জানা গেছে, ২০০৬ সালে মাত্র ৭ বছর বয়সে নিজের ৬ বছর বয়সী চাচাতো বোনকে খুন করে সে। এরপর খুন করা যেন তার নেশা হয়ে দাঁড়ায়। অমরজিৎ এর খুনের তালিকায় এরপর যুক্ত হয় তার নিজের ৮ মাসের আপন বোন।

অমরজিতের চাচা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে বলেন, পরিবারের সবাই ওর খুনের বিষয়গুলো জানত। তবে সবাই পারিবারিক বিষয় বলে বাইরে জানাজানি করতে চাননি।

২০০৭ সালে তৃতীয় খুনটি করে অমরজিৎ। এবার সে খুন করে ৬ মাসের শিশু খুশবুকে। খুশবুর মা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তিনি যখন স্কুলে গিয়েছিলেন; তখন শিশুটি ঘুমাচ্ছিল। স্কুল থেকে ফিরে তিনি খুশবুকে খুঁজতে থাকেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর অমরজিৎ এসে খুশবুর মায়ের কাছে অপরাধের কথা স্বীকার করে। সে জানায়, শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেছে। এরপর মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে অমরজিৎ। এমনকি হত্যার পর ৬ মাস বয়সী শিশুটিকে কবরও দিয়ে দেয়।

গ্রামবাসীকে অমরজিৎ নিজেই কবর দেওয়ার স্থান দেখিয়ে দেয়। এরপর পুলিশ এসে গ্রেফতার করে তাকে। নিয়ে যায় হাজতে। পুলিশের কাছেও সে তার খুনের অপরাধ স্বীকার করে।

তবে এসব উত্তর দেওয়ার সময় অমরজিৎ শুধুই হাসছিল। খুনের কথা স্বীকার করলেও অন্য কোনো প্রশ্নের উত্তর সে দেয়নি। তবে পুলিশের ভাষ্য, একটু পরপরই সে পাগলের মতো হাসে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, অমরজিৎ অন্যকে কষ্ট দিয়ে নিজে পায়। এমন মানসিক রোগে আক্রান্তরা শুধু অন্যকে কষ্টই দিতে জানে। এটাই তাদের আনন্দ।

গ্রেফতারের পর শিশু অপরাধী হিসেবে প্রথমে অমরজিৎকে চিলড্রেন্স হোমে রাখা হয়। এ ছাড়াও টানা ৩ বছর সে মনোরোগবিদের কাছে কাউন্সিলিং গ্রহণ করে। ১৮ বছর বয়সে ২০১৬ সালে সে মুক্তি পায়। বয়স কম থাকায় ও মানসিক রোগের কারণে বিচারক তার ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চাননি। তাই ১১ বছর পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বর্তমানে অমরজিতের বয়স ২২ বছর তবে গোপন রাখা হয়েছে তার বাসস্থানের ঠিকানা। পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে তার নামও। বর্তমানে সে কোথায় আছে, তার খোঁজ জানে না কেউ।

সূত্র: দ্য সান

- Advertisement -
- Advertisement -

সর্বশেষ সংবাদ

ঢাবির ১৬৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১২ শিক্ষার্থীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা...
- Advertisement -

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

- Advertisement -