36 C
Dhaka
বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২০

উহান এখন সবচেয়ে নিরাপদ, আমেরিকা দেখছে সবচেয়ে ভয়ানক সময়

অবশ্যই পরুন

ফ্যামিলি বাইকার হয়ে উঠার পিছনের গল্প

আজকে আমি পরিচয় করিয়ে দিবো আমার ফ্যামিলি বাইকার হয়ে উঠার পিছনে অন্যতম সাহায্যকারী আমার বৌ Sharmin Upoma কে। সে শুধু...

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে সিটিকে আবারও হারাল ম্যানইউ

প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটিকে হারানো ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি নিয়ে বেশ আপ্লুত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলোয়াড়েরা। রবিবার এই গোলটির আগে কোচিং...

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেন মোনালিসা

বছর খানেক আগে ওয়েব সিরিজে উমা  বৌদি হয়ে নজর কেড়েছিলেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা। কিন্তু সিজন-২ তে সেই জায়গায় অভিনয় করার...

তিশার ‘শেষটা একটু ভিন্নরকম’

সম্প্রতি নতুন একটি টেলিফিল্মের কাজ শেষ করেছেন ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। নাম ‘শেষটা একটু...

করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল ছিল চীনের উহান প্রদেশ। ধারণা করা হয় সেখান থেকে এই মহামারী করোনাভাইরাস পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে চীনা সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যায় উহানকে করোনামুক্ত করার। অবশেষে সাফল্যের মুখ দেখেছে চীন। করোনাভাইরাসের প্রথম উৎপত্তিস্থল উহান এখন সবচেয়ে নিরাপদ। নতুন করে কোনো করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়নি উহান প্রদেশে। একদিকে চীন যেমন এই মহামারী কাটিয়ে ওঠার প্রয়াসে আছে অপরদিকে সবচেয়ে ভয়ানক সময় পার করছে আমেরিকা। আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনে ১৬৩জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।

 মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উহান প্রদেশের সরকারি কর্মকর্তারা জানায়, “নতুন করে উহানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগীকে পাওয়া যায়নি। উহান প্রদেশের সবাই এখন নিজেদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবেন।” কিন্তু উহান এখন নিরাপদ হলেও চীনের অন্যান্য প্রদেশগুলো এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

অন্যদিকে, কভিড-১৯ এর আঘাতে সম্প্রতি দিনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বাজে সময় যাচ্ছে আমেরিকার। গত মঙ্গলবার নতুন করে ১৬০ জনেরও বেশি লোক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।  এখন পর্যন্ত আমেরিকার ৫০টি প্রদেশে এই ভাইরাস হামলা করেছে।

আমেরিকায় সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫৩ হাজার মানুষকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহ করা হচ্ছে, যার মধ্যে ১০ হাজার নিশ্চিত করোনায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এভাবেই চলতে থাকলে ইতালির পর আমেরিকা হবে মরনাস্থল, এমনটি মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান রাজ্যের বাসিন্দাদের ‘ঘরে থাকার’ নির্দেশনা জারি করেছেন সেখানকার গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার। সোমবার তিনি ‌’বাড়িতে থাকুন, নিরাপদে থাকুন’ স্লোগানে এ নির্দেশনা জারি করেন। মঙ্গলবার ১২টা এক মিনিট থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হবে। নভেল করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গভর্নর।

স্কুলও ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। মানুষজন ঘর থেকে বের হতে পারবে কেবল পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং মুদি ও ওষুধের কেনাবেচার জন্য।

এই নির্দেশনা এমন সময় এলো যখন এক লাফে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০০ বেড়ে ১৩২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। রাজ্যে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. জোনেইগ খালদুন এই তথ্য জানিয়েছেন।

মিশিগানের গভর্নর  বলেন, আমাদের লক্ষ্য খুবই সাধারণ ‘বাড়িতে থাকুন, নিরাপদ থাকুন, জীবন বাঁচান।’ এটা সাময়িক এই হস্তক্ষেপ করছি এজন্য যে আমরা হাসপাতালে সক্ষমতা বাড়াতে সময় পাবো। আমরা করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার ওষুধ আরও উন্নত করতে পারি। এর ফলে হাসপাতালে ভর্তির হার কমবে এবং মৃত্যুর হারও হ্রাস পাবে।
গভর্নর জানান, এটা লক্ষ্য করা গেছে যে, যদি আমেরিকানরা ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকেন, একে অপরের থেকে ছয় ফুট দূরত্বে থাকেন তাহলে এই মহামারি সহজেই দমন করা সম্ভব। এটা কেবল আমাদের ওপরই নির্ভর করে।

হুইটমার বলেন, বাড়িতে না থাকলে বর্তমান পরিস্থিতি এই ধারণা দেয় যে রাজ্যের এক কোটি জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ আক্রান্ত হতে পারে।

মিশিগানের গভর্নর বলেন, পেছনের দিকে তাকালে দেখা যাবে আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপই নিয়েছি; ফেডারেল যে সহায়তা রাজ্যে এসেছে তা খুবই অপর্যাপ্ত ও হতাশাজনক। একটা হাসপাতালে হয়তো একটা শিফটের কাজ চালানো যাবে এই সহায়তা দিয়ে।

লক ডাউন ১৩ এপ্রিলের পর বাড়ানো হবে কিনা সেটি নির্ভর করছে আক্রান্তের সংখ্যা, পরীক্ষার পরিমাণ, হাসপাতালের সক্ষমতা ও আইসোলেশনের ওপর।

হুইটমার জানান, মুদি দোকান, রেস্তোরাঁ, ফার্মেসি ও গ্যাস স্টেশন খোলা থাকবে। আতঙ্কিত হবেন না। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা না রাখলে জরিমানাসহ বন্ধ করে দেয়া হবে।

প্রয়োজনীয় কোনটি সেটি নির্ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে গভর্নর বলেছেন, আইন কেউ ভঙ্গ করার চেষ্টা করবেন না। স্পর্শকাতর অবকাঠামোর শ্রমিকদের কাজের অনুমতি দেয়া হবে। যেমন- স্বাস্থ্য বিষয়ক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জননিরাপত্তা, খাবার, কৃষি, জ্বালানি, পানি, ময়লা পানি, পরিবহন, যোগাযোগ, কমিউনিটিভিত্তিক সরকারি অবকাঠামো, মারাত্মক সব পদার্থ, আর্থিক সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান, রাসায়নিক সরবরাহ এবং প্রতিরক্ষা শিল্প ঘাঁটির জিনিসপত্র আনা-নেয়া নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এছাড়া শিশুদের যত্ন, ইনস্যুরেন্স শিল্পের কর্মী এবং স্পর্শকাতর শ্রমিক ইউনিয়নের কাজে জড়িতরাও এর বাইরে থাকবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ সংবাদ

মিথিলার সাথে চুমুর ছবি পোস্ট করে সৃজিত লিখলেন ‘যা থাকে কপালে’

সারা দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। বন্ধ হয়েছে দেশ বিদেশের বিমান পরিষেবা। করোনা মোকাবিলাতেই এই ব্যবস্থা নিতে হয়েছে সরকারকে। এর ফলে...

করোনা প্রমাণ করল গোলাবারুদের চেয়ে ভালোবাসার শক্তি অনেক বেশি: মাশরাফি

করোনাভাইরাস পুরো পৃথিবীটা এভাবে এলেমেলো করে দেবে, তা কি কেউ ভেবেছিল? অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ শক্তিশালী, সমরাস্ত্রে মহাশক্তিধর দেশগুলো এখন করোনার থাবায় কাঁপছে! এই তো কদিন...

বাটলারের বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি ৬৫ হাজার পাউন্ডে বিক্রি

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ছেন সবাই। এই লড়াইয়ে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছিলেন ক্রিকেটার জস বাটলার। সহায়তার জন্য এ ইংল্যান্ডের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা জার্সিটি...

কানাডার পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

কানাডার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী মারটা মর্গান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। খবরটি নিশ্চিত করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, উপমন্ত্রী মারটা মর্গানের দেহে...

করোনাভাইরাস: যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় ১৯৭০ জনের প্রাণহানি

মহামারী করোনাভাইরাসে বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্র। প্রথমে অবহেলা করায় এখন পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি। দিন দিন অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছে। ক্রমাগত বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ