36 C
Dhaka
শুক্রবার, জুন ৫, ২০২০

করোনা জয় করলেন রাবি শিক্ষার্থী সাবরিনা আশা

অবশ্যই পরুন

করোনায় মা’রা যাওয়া দুদক পরিচালকের স্বজন বলে দিলেন করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার টোটকা

করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে হানা দিয়েছে প্রায় ১ মাসের বেশি হয়ে গেল। আর এই এক মাসের মধ্যে করোনা বেশ ছড়িয়েছে...

রাশিয়ায় বাড়ছে করোনা, সামরিক বাজেট ব্যবহারের নির্দেশ পুতিনের

বিশ্বে করনোভাইরাসের মারাত্মক হানার মধ্যেও রাশিয়ায় শুরুতে খুব বেশি প্রভাব দেখা দেয়নি। তবে সম্প্রতি দেশটিতে ভয়ংকর আকার নিতে শুরু...

সিঙ্গাপুরে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড

বুধবার একদিনে সিঙ্গাপুরে ৪৪৭ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রে একদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক করোনা...

ফ্যামিলি বাইকার হয়ে উঠার পিছনের গল্প

আজকে আমি পরিচয় করিয়ে দিবো আমার ফ্যামিলি বাইকার হয়ে উঠার পিছনে অন্যতম সাহায্যকারী আমার বৌ Sharmin Upoma কে। সে শুধু...

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও প্রাণ যাওয়ার সাথে সাথে অনেক রোগী বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছে। মূলত করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরপরই এই সকল রোগীরা তাদের নমুনা পরীক্ষা করেছেন। আর এরপর করোনা ভাইরাসের রিপোর্ট পজেটিভ আসা মাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলেছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলে অনেক রোগী আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে উঠেছে।

এদিকে, দেশে অনেক রোগী করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর প্রায় সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছে। আবার অনেক রোগী করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে গণমাধ্যমের সাথেও কথা বলে থাকেন। আর এবার এই শিক্ষার্থী করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন।করোনায় আক্রান্ত হলে অনেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। আবার অনেকে মৃ’’ত্যুর চিন্তা করেন, ফেসবুকে সময় দিয়ে করোনার বিষয়ে নেতিবাচক খবর পড়েন ও শোনেন। আমি ১২-১৩ দিন ফেসবুক চালাইনি। এগুলো থেকে দূরে থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ শুনেছি। আর মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টা করেছি। এখন আমি পুরোপুরি সুস্থ।’

কথাগুলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাজয়ী শিক্ষার্থী সাবরিনা আশার (২৩)। তাঁর পরামর্শ, করোনা কোনো জটিল রোগ নয়, এটা শারীরিকভাবে যতটা না কাবু করতে পারে, তার চেয়ে পারিপার্শ্বিকতা মানসিকভাবে বেশি ভেঙে দিতে পারে। তাই মানসিকভাবে শক্ত থেকে ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী সাবরিনা ৭ মে ঢাকার ইব্রাহিমপুর এলাকায় বাসায় অবস্থানকালে করোনার উপসর্গ প্রথম আন্দাজ করেন। এর আগে ২ মে থেকে তাঁর বাবার করোনার উপসর্গ দেখা দেয়। ৯ মে তাঁর বাবার করোনা শনাক্ত হয় আর তাঁর শনাক্ত হয় ১১ মে। পরিবারের চার সদস্য একই জায়গায় থাকা সত্ত্বেও সাবরিনার বড় ভাই ও মায়ের একাধিকবার পরীক্ষা করা হলেও ফল নেগেটিভ আসে। ১১ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হন সাবরিনা। ২০ ও ২১ মে পরীক্ষায় তাঁর করোনা নেগেটিভ আসায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে করোনামুক্ত ঘোষণা করে বাসায় পাঠানো হয়। এখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন। তবে তাঁর বাবা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনিও সুস্থ হওয়ার পথে।

সাবরিনা গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমকে বলেন, বাবার চাকরির কারণে তাঁরা ঢাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তাঁর বাবা যখন করোনায় আক্রান্ত হন, তখনই আশপাশের সবাই তাঁদের থেকে দূরে সরে যান। এরপর তাঁর করোনা শনাক্ত হলে তাঁদের পরিবার আরও বেশি বিপদে পড়ে। তাঁদের ভবনটিতে আরও ১২ থেকে ১৩টি পরিবার থাকে। কেউ তাঁদের কোনো খোঁজ নেননি। আশপাশের ভবনসহ বাসা লকডাউন করায় তাঁর মা, ভাই বাসা থেকে বেরই হতে পারতেন না। বাসা থেকে বের হয়ে তাঁকে ও তাঁর বাবাকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পোঁছাতে পারতেন না তাঁরা। এটা তাঁকে খুব কষ্ট দিয়েছে। এ সময় তাঁর পাশে থেকেছেন শুধু হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। তাঁদের দিয়ে ফলমূল কিনিয়ে এনেছেন। এতে তাঁরা একটুও আপত্তি করেননি।

সাবরিনা আরও বলেন, তিনি ছোটবেলা থেকেই একটু দুর্বল চিত্তের। অসুস্থ থাকতেন মাঝেমধ্যে। এ কারণে তাঁর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর খুব ভয় হয়। পরে তিনি ধীরে ধীরে মানসিকভাবে শক্ত হতে থাকেন। আর নেতিবাচক চিন্তা ও খবর পড়া থেকে দূরে সরে যান।

তিনি বলেন, তাঁর বিভাগের শিক্ষক ও সহপাঠীরা এ সময় তাঁকে প্রচুর সাহস জুগিয়েছেন। যখনই একটু খারাপ লাগা শুরু করত, তখনই কেউ না কেউ ফোন দিয়ে খোঁজখবর নিতেন। এটা তাঁর ভয় কাটতে সহায়তা করেছে।

করোনার চিকিৎসা নিয়ে সাবরিনা বলেন, খুব সাবধানে থেকে বিশ্রাম নিতে হয়। ভিটামিন ’সি’যুক্ত খাবার খেতে হয়। তিনি এগুলো প্রচুর পরিমাণে খেতেন। আর তাঁর কাশি থাকায় এক ঘণ্টা পরপর গরম পানি দিয়ে গড়গড়া দিতেন। আর চিকিৎসকেরা নিয়মমতো কিছু ওষুধ দিতেন আর দুবার তাঁকে ইনজেকশন দিয়েছেন। এখন তিনি তাঁর বাবার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁর বাবাও সুস্থ হওয়ার পথে। সূত্র- প্রথম আলো।

এদিকে, দেশে করোনায় সংক্রমণের সাথে সাথে অনেক রোগী বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছে। তবে যে সকল রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠছে তারা প্রথম থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলেছে। চিকিৎসকরা বলছে কোনো ব্যক্তির করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেওয়া মাত্র দেরি না করে দ্রুত করোনা নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে। একই সাথে তাকে আলাদা থাকতে হবে। আর করোনার রিপোর্ট পজেটিভ আসলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। করোনা থেকে সুস্থ হওয়া অনেক রোগী বলেন করোনা ভাইরাস হওয়া মানেই প্রাণ যাবে এমন নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে আল্লাহর রহমতে করোনা থেকে সুস্থ হওয়া যায়। তবে সব সময় সাবধান থাকতে হবে যেন অন্যের মধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে না যায়।

 

সর্বশেষ সংবাদ

মাস্ক ব্যবহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন নির্দেশনা

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে মাস্ক ব্যবহারের ওপর নির্দেশনা বদলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শুক্রবার সংস্থাটি বলেছে, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি বা...

করোনায় শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস সংক্রমিত শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হয়।শুক্রবার ৯০তম দিনে এসে অনাকাঙ্ক্ষিত...

স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত মোস্ট ওয়ান্টেড ডন দাউদ ইব্রাহিম!

করোনা গ্রাসে এবার বিশ্বের ত্রাস কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিম‌ও। আক্রান্ত স্ত্রী মেহজাবিন‌ও। এছাড়াও করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ও কর্মীরাও।...

করোনার জন্য দেশে প্রথম ‘রেড জোন’ ঘোষণা

দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এমন পরিস্থিতিতে ভাইরাস ঠেকাতে কক্সবাজার শহরের ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১০টিকে ‘রেড জোন’ ও দু’টিকে...

পরিবেশ সংরক্ষণে যত্নবান হলে ভাইরাস থেকে সুরক্ষা সহজ হতো: বিশ্ব পরিবেশ দিবসে তথ্যমন্ত্রী

‘প্রকৃতি ও পরিবেশের ওপর নির্দয় আচরণ না করে সংরক্ষণ করলে অনেক রোগব্যাধি ও ভাইরাস থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেয়া সহজতর হতো’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী,...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ