36 C
Dhaka
মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২০

বেতন না পেয়ে পরিবারসহ কুয়োয় ঝাঁপ, ৯ লাশ উদ্ধার

অবশ্যই পরুন

করোনায় মা’রা যাওয়া দুদক পরিচালকের স্বজন বলে দিলেন করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার টোটকা

করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে হানা দিয়েছে প্রায় ১ মাসের বেশি হয়ে গেল। আর এই এক মাসের মধ্যে করোনা বেশ ছড়িয়েছে...

রাশিয়ায় বাড়ছে করোনা, সামরিক বাজেট ব্যবহারের নির্দেশ পুতিনের

বিশ্বে করনোভাইরাসের মারাত্মক হানার মধ্যেও রাশিয়ায় শুরুতে খুব বেশি প্রভাব দেখা দেয়নি। তবে সম্প্রতি দেশটিতে ভয়ংকর আকার নিতে শুরু...

সিঙ্গাপুরে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড

বুধবার একদিনে সিঙ্গাপুরে ৪৪৭ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রে একদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক করোনা...

ফ্যামিলি বাইকার হয়ে উঠার পিছনের গল্প

আজকে আমি পরিচয় করিয়ে দিবো আমার ফ্যামিলি বাইকার হয়ে উঠার পিছনে অন্যতম সাহায্যকারী আমার বৌ Sharmin Upoma কে। সে শুধু...

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। এরই মধ্যে কয়েকটি দেশে ভয়ঙ্কর প্রকোপ নিয়েছে এই ভাইরাস। যার ফলে কিছু কিছু দেশে লকডাউন চলছে। এই লকডাউনের মধ্যে মর্মান্তিক এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের তেলেঙ্গানায়। সেখানে এক কুয়োয় ঝাঁপ দিয়ে একই পরিবারের ছয়জনসহ ৯ জন আত্মহত্যা করেছেন।

ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, লকডাউনে দুমাস বেতন না-পাওয়া শ্রমিক ও তাদের পরিবার মিলিয়ে ৯ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে তেলঙ্গানার গ্রামে এক কুয়ো থেকে। নিহতদের মধ্যে ৬ জন পশ্চিমবঙ্গের এবং একই পরিবারের। দুজন বিহারের ও একজন ত্রিপুরার।

পুলিশের ধারণা, লকডাউনে বেতন না পেয়ে অভাবের তাড়নায় তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এটা গণআত্মহত্যা। শ্রমিকরা ঘরে ফিরতে পারছিলেন না। দু’মাস ধরে জুটমিল ও অন্য কারখানা থেকে বেতন পাননি তারা। ঘরে ফিরতে না-পারা, আশ্রয় হারানো এবং চরম আর্থিক সঙ্কট নিয়ে সবারই অবস্থা ছিল কোণঠাসা।

পুলিশ আরো জানায়, মৃত শ্রমিকদের কারো শরীরে আঘাতের চিহ্নও নেই। ফলে হত্যার ঘটনা হওয়ার সম্ভবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে। খবরে আরো বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের মকসুদ আলম ২০ বছর আগে গোরেকন্টার এক জুট মিলে কাজ পান। কারখানা লাগোয়ো দুটি ঘরে সপরিবার থাকতেন তিনি। লকডাউনে বেতন বন্ধ হয়। হারান আশ্রয়ও।

স্থানীয় এক দোকানদার নিজের গুদামে আশ্রয় দিয়েছিলেন তাদের। তারই কাছে এই কুয়োটি থেকে মিলেছে মকসুদ, তার স্ত্রী নিশা, দুই ছেলে সোহেল ও শাবাদ, মেয়ে বুশরা খাতুন এবং তিন বছরের নাতি শাকিলের লাশ। ত্রিপুরার বাসিন্দা শাকিল আহমেদ জুট মিলের গাড়ি চালাতেন। এছাড়া বিহারের শ্রীরাম ও শ্যাম অন্য একটি কারখানায় কাজ করতেন।

তবে তারা সবাই একই কুয়োয় কিভাবে মারা গেলেন পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।

সর্বশেষ সংবাদ

সাহসিকতার সাথে করোনা মোকাবিলার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

করোনা পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার শঙ্কা জানিয়ে, সবাইকে ধৈর্য ও সাহসিকতার সাথে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ...

ঈদের দিনেও বিএনপির বিষোদগারের রাজনীতি: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘পবিত্র ঈদের দিনেও বিষোদগারের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বিএনপি।’ মঙ্গলবার দুপুরে...

এবার স্যানিটাইজার ব্যবসায় নামলেন সালমান

ভারতে লকডাউন চলার মধ্যে নানা চমক দিচ্ছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। কখনও নতুন গান মুক্তি দিচ্ছেন, কখনও শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এবার কোভিড...

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুশফিকের ১৫ বছর

আজ থেকে ১৫ বছর আগে মুশফিকুর রহিম দলের সাথে ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন ব্যাকআপ উইকেটরক্ষক হিসেবে। সফরের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে ৬৩ এবং অপরাজিত ১১৫...

বাংলাদেশসহ ১১টি দেশ থেকে জাপান ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বহাল

করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘোষিত জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হলেও বাংলাদেশসহ ১১টি দেশ থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়ানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে সোমবার...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ